মূল: আফরোজ আলম সাহিল ও আফশান খান
১৯৩১ সালের ৪ জানুয়ারি প্রয়াত হন কিংবদন্তিতুল্য স্বাধীনতাসংগ্রামী, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ ও ইসলামী চিন্তাবিদ মুহাম্মদ আলী জওহর (জন্ম: ১০ ডিসেম্বর ১৮৭৮)। তিনি ছিলেন উপমহাদেশ—এমনকি বৃহত্তর মুসলিম বিশ্বেরও—অন্যতম বহুমাত্রিক, কর্মপ্রবণ ও প্রভাবশালী নেতা। তাঁর ইন্তেকাল এবং ফিলিস্তিনের মাটিতে তাঁর দাফনের কাহিনি যেমন হৃদয়স্পর্শী, তেমনি ব্রিটিশ শাসন থেকে ভারতের স্বাধীনতার সংগ্রামে তাঁর ভূমিকার মতোই তাৎপর্যপূর্ণ।
১৯২৮ সালের নভেম্বর মাসে ইউরোপ সফরকালে খবর পৌঁছায় আল-কুদস (জেরুজালেম)-এ যে, ভারত ফেরার পথে জওহর ফিলিস্তিন সফর করবেন। এ সংবাদে ফিলিস্তিনি মুসলমানদের মধ্যে—বিশেষত তাঁর প্রতি গভীর অনুরাগী মানুষের মাঝে—আনন্দের ঢেউ বয়ে যায়। তাঁরা অধীর আগ্রহে তাঁর আগমনের অপেক্ষায় থাকেন।

ফিলিস্তিনি পর্যবেক্ষক নাজির হাসান আল-আনসারি দিল্লি থেকে প্রকাশিত উর্দু পত্রিকা হামদর্দ-এ তাঁর আসন্ন সফর নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন লেখেন। ১৯২৮ সালের ৩ ডিসেম্বরের সংখ্যায় তিনি জানান, দামেস্ক থেকে জওহরের পাঠানো টেলিগ্রাম পৌঁছেছিল সাইয়্যিদ আমিন আল-হুসাইনির কাছে—যিনি ছিলেন জেরুজালেমের গ্র্যান্ড মুফতি এবং ব্রিটিশ ম্যান্ডেটাধীন ফিলিস্তিনের মুসলিম সুপ্রিম কাউন্সিলের প্রধান। জওহরের ১৫ নভেম্বর দামেস্ক থেকে আল-কুদসে পৌঁছানোর কথা ছিল এবং তাঁর জন্য আল-কুদসে শরিয়াহ বিভাগের ওপরের প্রশস্ত কক্ষগুলো প্রস্তুত করা হয়েছিল।
একই প্রতিবেদনে বলা হয়, এই সংবাদ দ্রুত সমগ্র ফিলিস্তিনে ছড়িয়ে পড়ে। তাঁকে অভ্যর্থনা জানানোর প্রস্তুতি শুরু হয় সীমান্ত থেকেই—প্রাচীন জর্ডান নদীর পারাপারস্থল বানাত ইয়াকুব থেকে আল-কুদস পর্যন্ত। হাজার হাজার মানুষ সড়কের দুই পাশে সমবেত হয়। আরবদের ঐতিহ্যবাহী রীতিতে ঘোড়সওয়ারদের পাশাপাশি নারীরাও আরবি স্বাগতগান গেয়ে তাঁকে অভ্যর্থনা জানানোর প্রস্তুতি নেন। দুপুরের দিকে তাঁর পৌঁছানোর কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত রাত ১০টা পর্যন্ত তাঁর আগমন বিলম্বিত হয়। ফলে অপেক্ষমাণ জনতা হতাশ হয়ে ধীরে ধীরে ঘরে ফিরে যেতে শুরু করে।
ফিলিস্তিনে তাঁর প্রবেশ অবশ্য শুরুতে অনুমোদন করেনি ব্রিটিশ ম্যান্ডেট সরকারের হাইকমিশনার স্যার হারবার্ট প্লামার (পরবর্তীকালে লর্ড প্লামার)। ১৬ নভেম্বর তাঁর প্রবেশ প্রত্যাখ্যাত হয়। কিন্তু ফিলিস্তিনিদের প্রবল আগ্রহ ও অপেক্ষার পর অবশেষে ২০ নভেম্বর তাঁকে ফিলিস্তিনে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। গভীর রাতে প্রচণ্ড শীতের মধ্যে তিনি তিবেরিয়াসে পৌঁছান। প্রতিকূল আবহাওয়া সত্ত্বেও পরদিন আল-কুদসে তাঁর আগমন ফিলিস্তিনের মানুষের অকৃত্রিম উষ্ণতা, ভালোবাসা ও উৎসাহে অভিষিক্ত হয়।
ফিলিস্তিনের প্রতি জওহরের আজীবন অঙ্গীকার
মোহাম্মদ আলী জওহর ভারতে প্রকাশ করতেন Comrade ও Hamdard—দুটি প্রভাবশালী পত্রিকা। এসব পত্রিকার পাতায় তিনি ফিলিস্তিনকে বিপুল গুরুত্ব দিয়েছেন। সাংবাদিকতার জীবনের শুরু থেকেই ফিলিস্তিনের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন ছিলেন। বিশেষত ১৯১৭ সালের বেলফোর ঘোষণা-র পর তাঁর লেখনী আরও সোচ্চার হয়ে ওঠে।
জেরুজালেমের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ এবং ইহুদিবাদী আন্দোলনের বিরোধিতা করায় ব্রিটিশ সরকার জওহরসহ অন্যান্য ব্যক্তিত্বের ওপর নজরদারি শুরু করে।
১৯১৭ সালের ১ ডিসেম্বর ইউনাইটেড প্রভিন্সের লেফটেন্যান্ট গভর্নরের ক্যাম্প অফিস থেকে স্যার জেমস ডুবুলে-কে পাঠানো একটি চিঠিতেও এই নজরদারির প্রমাণ পাওয়া যায়। সেখানে New Era পত্রিকাকে পর্যবেক্ষণে রাখার কথা বলা হয় এবং বলা হয় যে পত্রিকাটি Comrade ও Hamdard-এর মতোই সীমার কাছাকাছি গিয়ে লিখছে। প্রয়োজনে এর ওপর পূর্বনিয়ন্ত্রণমূলক সেন্সরশিপ আরোপ অথবা অন্য কোনো উপায়ে এর ‘দাঁত ভেঙে দেওয়া’র কথাও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। চিঠিটি ভারতের ন্যাশনাল আর্কাইভসে সংরক্ষিত রয়েছে।
জওহর তাঁর লেখনী ও বক্তৃতার মাধ্যমে, এবং তাঁর ভাই শওকত আলী-এর সঙ্গে মিলে, ফিলিস্তিন সম্পর্কে ভারতীয় মুসলমানদের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তুলতেন।
১৯২৩–২৪ সালে ফিলিস্তিন থেকে একটি প্রতিনিধিদল ভারত সফরে আসে। ১৯২৪ সালের ২৯ জানুয়ারি খিলাফত কমিটি বোম্বাইয়ের (বর্তমান মুম্বাই) গ্রান্ট রোডের ছোটা কবরস্তানে একটি জনসভা আয়োজন করে। ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিদলের সদস্যরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
১৯২৪ সালের ৩১ জানুয়ারি Times of India-তে “Palestine Deputation: An Appeal for Funds” শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে মুহাম্মদ আলী, শওকত আলী ও তাঁদের মা বী আম্মা-র আগমনের কথা বলা হয়। তাঁদের স্বাগত জানানো হয় ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনিতে।
ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিদলের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাতের পর মোহাম্মদ আলী একটি প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এতে বোম্বাইয়ের মুসলমানদের পক্ষ থেকে ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে মসজিদুল আকসা ও মসজিদে সাখরা (ডোম অব দ্য রক)-এর প্রয়োজনীয় সংস্কারের জন্য আর্থিক সহায়তার আহ্বান জানানো হয়। তিনি বলেন, প্রত্যেক মুসলিম নারী-পুরুষ ও শিশুর উচিত এই কাজে অংশ নেওয়া। একই সঙ্গে তিনি ভারতীয় মুসলমানদের কাছ থেকে অনুদান সংগ্রহ করেন এবং ফিলিস্তিনের প্রশ্নে ব্যাপক জনসমর্থন গড়ে তুলতে সক্ষম হন।
লন্ডন থেকে আল-কুদসের পথে
১৯৩০ সালে অসুস্থ শরীর নিয়েও মুহাম্মদ আলী জওহর ভারতের স্বাধীনতার প্রশ্নে রাউন্ড টেবিল কনফারেন্সে অংশ নিতে লন্ডনে যান। সেখানে তাঁর ভাষণ ছিল ঐতিহাসিক।
১৯৩১ সালের ৪ জানুয়ারি লন্ডনের হাইড পার্ক হোটেলে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। পরদিন সন্ধ্যা ৬টায় প্যাডিংটন টাউন হলে তাঁর জানাজার নামাজের আয়োজন করা হয়। তৎকালীন আফগান, মিসরীয় ও ইরানি রাষ্ট্রদূত এবং রাউন্ড টেবিল কনফারেন্সের সদস্যরা তাঁর মরদেহ বহনকারী খাটিয়ায় কাঁধ দেন। হলের বাইরে ছিল বিপুলসংখ্যক ব্রিটিশ মানুষের ভিড় এবং ভেতরে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ব্রিটিশ প্রতিনিধিরাও।
লন্ডনের মানুষ চেয়েছিল জওহরকে সেখানেই দাফন করা হোক। কিন্তু তাঁর পরিবার এতে সম্মত ছিল না। তাঁর স্ত্রী আমজাদী বানু বেগম তাঁকে ভারতে ফিরিয়ে নিতে চেয়েছিলেন। ভারত থেকেও শত শত টেলিগ্রাম আসতে থাকে—তাঁর মরদেহ যেন দেশে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
ঠিক তখনই ফিলিস্তিনের গ্র্যান্ড মুফতি আমিন আল-হুসাইনি অনুরোধ জানান, মোহাম্মদ আলী জওহরকে যেন বায়তুল মুকাদ্দাসে দাফন করা হয়। বলা হয়, তাঁর উদ্দেশ্য ছিল ধর্মীয় আবেগ ও ঐতিহাসিক বন্ধনের ভিত্তিতে ভারতীয় মুসলমানদের সঙ্গে ফিলিস্তিনের সম্পর্ককে আরও গভীর করা। যেমন ভারতীয় মুসলমানদের হৃদয়ে মক্কা ও মদিনার প্রতি ভালোবাসা রয়েছে, তেমনি বায়তুল মুকাদ্দাসের প্রতিও তাঁদের ভালোবাসা জাগ্রত হোক—এটাই ছিল তাঁর আকাঙ্ক্ষা।
শওকত আলী এই অনুরোধে সম্মতি জানান।
পাঁচ দিন লন্ডনে রাখার পর মরদেহ জাহাজে করে মিসরে পাঠানো হয়। ১৯৩১ সালের ২১ জানুয়ারি তা পোর্ট সাঈদে পৌঁছে। মিসরীয় সরকারের প্রতিনিধিদের তত্ত্বাবধানে মরদেহটি পুলিশ পাহারায় আব্বাস মসজিদে নিয়ে যাওয়া হয়। মিসর থেকে কাফনের ওপর দেওয়ার জন্য কাবা শরিফের কিসওয়ার একটি অংশও প্রদান করা হয়। মসজিদে পুনরায় জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বিপুল শ্রদ্ধাশীল জনতার সারিবদ্ধ উপস্থিতির মধ্য দিয়ে মরদেহটি শহরের রাস্তায় নিয়ে যাওয়া হয়।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফিলিস্তিনের বিভিন্ন মসজিদে জোহরের নামাজের পর বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। জওহরের মরদেহ হারাম আল-শরিফে, অর্থাৎ মসজিদুল আকসার পবিত্র প্রাঙ্গণে দাফনের জন্য নেওয়া হচ্ছে—এই সংবাদকে ভারত ও ফিলিস্তিনের মুসলমানদের বন্ধুত্বের আরও গভীরতার নিদর্শন হিসেবে ব্যাপকভাবে স্বাগত জানানো হয়।
২৩ জানুয়ারি মোহাম্মদ আলী জওহরের মরদেহ যখন জেরুজালেমে পৌঁছে, শ্রদ্ধা জানাতে শহরের সমস্ত দোকান বন্ধ হয়ে যায়।
শওকত আলী ও মুফতি আমিন আল-হুসাইনি জানাজার মিছিলের নেতৃত্ব দেন। বিপুল জনসমুদ্র ভেদ করে মসজিদুল আকসা পৌঁছাতে তাঁদের প্রায় তিন ঘণ্টা সময় লাগে। জুমার নামাজের পর তৃতীয়বারের মতো জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে আনুমানিক দুই লাখ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। বহু বিশিষ্ট মুসলিম নেতার বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অবশেষে মোহাম্মদ আলী জওহরকে পবিত্র আল-কুদসের মাটিতে সমাহিত করা হয়।
জওহরের কাছে জেরুজালেমের অর্থ
১৯২৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বরের Times of India-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, তার আগের দিন জওহর বোম্বাইয়ে মুসলমানদের একটি জনসভার সভাপতিত্ব করেছিলেন। সভায় ফিলিস্তিনের চলমান পরিস্থিতি এবং এ বিষয়ে ব্রিটিশ মন্ত্রী ও ভারত সরকারের প্রতিক্রিয়ার পরিপ্রেক্ষিতে মুসলমানদের পরবর্তী করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়।
সেখানে জওহর বলেন, জেরুজালেম মুসলমানদের পবিত্র ভূমি; এটি তাঁদের প্রথম কিবলার ভূমি এবং তাই তাঁদের কাছে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ।
তিনি ব্রিটিশদের নীতির সমালোচনা করে বলেন, তারা ইহুদিদের ওয়েস্টার্ন ওয়াল/ওয়েলিং ওয়াল-এর ওপর পূর্ণ অধিকার দিতে চেয়েছিল। ইউরোপীয়দের ‘ভাগ করো ও শাসন করো’ নীতি ইতিপূর্বে কার্যকর প্রমাণিত হয়েছিল। তাঁর মতে, বেলফোর ঘোষণা প্রত্যাহার না করে ব্রিটিশ সরকার তা আরবদের ওপর চাপিয়ে দিতে চাইছিল।
জওহর ভারতীয় মুসলমানদের নিজেদের স্বাধীনতার দাবিকে আরও জোরালো করার আহ্বান জানাতেন। তাঁর কাছে ভারত ও ফিলিস্তিনের মুক্তির প্রশ্ন দুটি বিচ্ছিন্ন বিষয় ছিল না; বরং ঔপনিবেশিক আধিপত্যের বিরুদ্ধে মুসলিম বিশ্বের বৃহত্তর সংগ্রামের সঙ্গে তিনি এগুলোকে সম্পর্কিত করে দেখতেন।
তাঁকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, তিনি ফিলিস্তিনকে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত করার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করার সংকল্প ব্যক্ত করেছিলেন। ভারতীয় মুসলমানদের তিনি ভারতের স্বাধীনতার সংগ্রাম আরও তীব্র করার আহ্বান জানান এবং মনে করতেন, ভারত স্বাধীন হলে ফিলিস্তিনসহ অন্যান্য মুসলিম ভূখণ্ডের ওপর বিদেশি আধিপত্যের অবসানের পথও সুগম হবে।
জওহরের মৃত্যুর পর ১৯৩১ সালের ৫ জানুয়ারি Palestine Bulletin-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, লন্ডন ত্যাগের আগে জামাল হুসাইনি তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। সে সাক্ষাতে জওহর তাঁকে বলেছিলেন:
“ভাববেন না যে আমি ফিলিস্তিনকে ভুলে গেছি। আমি যতদিন বেঁচে থাকব, ফিলিস্তিনের স্মৃতি আমার হৃদয়ে থাকবে।”
এরপর তিনি জামাল হুসাইনিকে ফিলিস্তিনের সকল মুসলমানের কাছে তাঁর সালাম পৌঁছে দিতে বলেন।
মুহাম্মদ আলী জওহরের জীবন ভারতীয় মুসলমান ও ফিলিস্তিনের মুসলমানদের মধ্যে এক অনন্য সেতুবন্ধের দৃষ্টান্ত। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর ভাই শওকত আলী ভারতে ফিলিস্তিনের প্রশ্নে জনসচেতনতা ও সমর্থন গড়ে তোলার সেই কাজ এগিয়ে নিয়ে যান।
জওহরের জীবন ও উত্তরাধিকার তাই ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের পাশাপাশি উপমহাদেশের মুসলমানদের সঙ্গে আল-কুদস ও ফিলিস্তিনের ঐতিহাসিক, ধর্মীয় ও আবেগিক সম্পর্কেরও এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
লেখক পরিচিতি : আফরোজ আলম সাহিল একজন ভারতীয় সাংবাদিক ও লেখক। আফশান খান ইস্তাম্বুল সাবাহাত্তিন জায়েম বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে পিএইচডি গবেষণারত।
অনুবাদ : পরম্পরা অনুবাদ ডেস্ক